Shashi Tharoor clarifies Gandhi’s philosophy of non violence, “Satyagrah (literally holding on to truth) and adds there is no denying Gandhi’s greatness. While the world was disintegrating into fascism, violence and war, Gandhi taught the virtues of truth, non-violence and peace. He destroyed the credibility of colonialism…. Yet Gandhi’s truth was essentially his own….. Gandhi’s “triumph” did not change the world forever. It is, sadly, matter of doubt whether he triumphed.”
"অসাম্প্রদায়িক মানসিকতা প্রসারিত করেছেন যিনি মানুষের মাঝে। যার সংগ্রামে ছিল অহিংস। তারপর নৃশংস হত্যা। যদিও ছিল ওরা সেলের ভিতরে, তবে কেন উন্মুক্ত মৌলবাদীরা"
যুগে যুগে কিছু মানুষ আসেন যাদের নেতৃত্ব দশর্ন পাল্টে দেয় দুনিয়াকে দেশকে দেশের মানুষকে। যার আলোয় আলোকিত হয় মানুষ ও দেশ। তেমনি একজন মানুষ মহাত্মা গান্ধী। একটি নাম, একটি আদর্শ, একটি অহিংস মানবতাবাদী স্মরণীয়-বরণীয় চরিত্র। একজন মহান মানবের পক্ষেই এমন বিনয়ী উচ্চারণ সম্ভব। তিনি সত্যাগ্রহ ও অহিংসনীতি দ্বারা নিপীড়িত ভারতবাসীকে জাগিয়ে তুলে ভারতবষের্র স্বাধীনতা আন্দোলনে অবিস্মরণীয় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভারতবাসীকে মুক্তি দিয়েছিলেন। যা পৃথিবীর ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে। পৃথিবীর যেখানেই নিযাির্তত, নিপীড়িত মানুষের কান্না শুনেছেন, সেখানেই ছুটে গিয়েছেন গান্ধীজি। যেখানেই বর্ণবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা রক্তপিপাসু রূপ নিয়েছে, সেখানেই তিনি প্রসারিত করেছেন শান্তির ও সাম্যের হাত।
আত্মকথা অথবা সত্যের প্রয়োগ গ্রন্থে তিনি বলেছেন- ‘১৯০৮ সালের পূর্ব পর্যন্ত আমি চরখা কি তাঁত দেখেছি বলে আমার স্মরণ হয় না। তাহা হলে আমার ‘হিন্দ স্বরাজ’ বইতে ভারতবর্ষে চরখার সাহায্যেই দারিদ্র্য দূর করা যায়, ইহা আমি বলেছি। আমি ধরে নিয়েছি, যে পথে দেশের ক্ষুধা মিটবে সে পথেই স্বরাজ আসবে।’ তিনি ওই পথেই সফল হলেন। ভারতবাসীকে পরাধীনতা থেকে মুক্তি দিলেন।দেশের মানুষের জন্য যার জীবনের সব অর্জন উৎসর্গ করা তাদের বলি হতে হয় নষ্টদের হাতে। তার প্রমাণ মহাত্মা গান্ধী নিজে। পশ্চাৎপদ ভারতীয়দের সামনে যিনি আলোর মশাল হাতে নিয়ে ছিলেন তাকেও ১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি গুলি করে হত্যা করা হয়। সে সময় তিনি নয়াদিল্লিতে পথসভা করছিলেন। । নাথুরামের সঙ্গে চরমপন্থি হিন্দু মহাসভার যোগাযোগ ছিল। গডসে এবং সহায়তাকারী নারায়ণ আপতেকে পরবর্তীতে আইনের আওতায় এনে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আজ এই আদর্শের কতটুকু মূল্যায়ন হচ্ছে? না জুমলা বাজি চলছে। ধর্মের ভিত্তিতে আমরা নিজেকে গুটিয়ে রাখছি, চলছে বিভাজনের কার্যপ্রণালী, সাধারণ মানুষ লাঞ্চিত হচ্ছে প্রতিটা প্রতিশ্রুতিতে। এটাই কি চাইছি গডসের আদর্শে নিজেকে তৈরি করি! শিক্ষিত , ধর্মিয় আদর্শবাদি নাথুরামের চাওয়া অখন্ড ভারত হচ্ছে হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারত। সেই ভারতেরই আজ জয়জয়কার। ভোটের হরির লোটে আর পুঁজিবাদী দখল হয়ে যাচ্ছে বিদ্যায়তন আর চিন্তার জগত ধর্মিয় উম্মাদনায়। শক্তি সঞ্চয় করে এগিয়ে যাওয়া শক্তিমান হিন্দুত্ববাদি ধ্যান-ধারণাই কথিত প্রগতিশীলতাকে দুর্বল করে ফেলছে । গান্ধীজীর অহিংসার ধারণা পেছনে পড়ে যাচ্ছে। এটা শুধু ভারতের রোগ নয় , গোটা পৃথিবীই এই হিংসার কর্কট রোগে আক্রান্ত।ধর্মের নামে , উন্নয়নের নামে, ‘আমিই শ্রেষ্ঠ’-এই বিবেচনার তুলাদন্ডে মূলত হিংসাই এখন শত্রু নির্ধারণ করে তাকে নির্মুল করতেই বদ্ধ পরিকর।তাই প্রশ্ন থাকছেই, মহাত্মা গান্ধীর অহিংসাবাদ কি তাঁর চন্দন কাঠ-ঘি আর সুগন্ধিমিশ্রিত চিতাভস্মের সাথেই বিলীন হয়ে যাচ্ছে!
No comments:
Post a Comment