Wednesday, May 1, 2019

সন্ত্রাসবাদ : কিছু নতুন কথা

আজকাল “সন্ত্রাসবাদ”—শব্দটির সাথে শিশুরাও পরিচিত । আন্তর্জাতিক নিউজ চ্যানেল থেকে শুরু করে পাড়ার চায়ের দোকানের বৈঠকি আড্ডা সর্বত্রই শুনতে পাই সেই একই শব্দ । সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ তো প্রাতঃকর্মের মতো রোজের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে । আজ এখানে বিস্ফোরণে এতজন মরেছে তো কাল ওখানে আত্মঘাতী হানায় এতজন । শুনতে পাই ঠিকই , কিন্তু বিশ্বজুড়ে এর কোনও সমাধান না থাকায় ব্যাপারটা গা’সওয়া করে নেওয়া ছাড়া আমাদের উপায়ও নেই ।
সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞাগুলি সাধারণত জটিল এবং বিতর্কিত এবং সন্ত্রাসবাদের সহিংসতা ও সহিংসতার কারণে তার জনপ্রিয় ব্যবহারের শব্দটি একটি তীব্র কলঙ্ক তৈরি করেছে। এটি বিপ্লবীদের বিরোধীদের বিরুদ্ধে ফরাসি বিপ্লবের সময় ব্যবহৃত সন্ত্রাসের উল্লেখ করার জন্য ১৭৯০-এর দশকে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। ম্যাক্সিমিলিয়েন রবসেস্পিয়ারের জ্যাকবিন পার্টি গিলোটিন দ্বারা ব্যাপক মৃত্যুদণ্ডের সাথে জড়িত সন্ত্রাসের একটি রাজত্ব করেছিল। যদিও এই ব্যবহারের সন্ত্রাসবাদটি তার দেশীয় শত্রুদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্বারা সহিংসতার একটি কাজ বোঝায়, তবুও ২0 শতকের এই শব্দটিকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সহিংসতার উদ্দেশ্যে নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে, সরকারকে নীতি প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা বা বিদ্যমান হত্তয়া শাসন।
সন্ত্রাসবাদ আইনত সব বিচার বিভাগে সংজ্ঞায়িত করা হয় না; বিদ্যমান আইনগুলি সাধারণত কিছু সাধারণ উপাদান ভাগ করে। সন্ত্রাসবাদ সহিংসতার ব্যবহার বা হুমকি জড়িত এবং কেবলমাত্র সরাসরি শিকারের মধ্যেই নয় বরং বিস্তৃত শ্রোতার মধ্যে ভয় সৃষ্টি করতে চায়। এটা যে ডিগ্রী নির্ভর করে তা সন্ত্রাসবাদকে প্রচলিত এবং গেরিলা উভয় যুদ্ধ থেকে পৃথক করে। যদিও প্রচলিত সামরিক বাহিনী নিয়মিতভাবে শত্রুদের বিরুদ্ধে মানসিক যুদ্ধে ব্যস্ত থাকে, তবে বিজয়ের প্রধান উপায় অস্ত্রের শক্তি। একইভাবে, গেরিলা বাহিনী, যা প্রায়শই সন্ত্রাস ও অন্যান্য প্রচারের কাজগুলিতে নির্ভর করে, সামরিক বিজয় অর্জন করে এবং মাঝে মাঝে সফল হয় (উদাঃ ভিয়েতনাম ভিয়েত কং এবং কম্বোডিয়ায় খেমার রুজ)। সন্ত্রাসবাদ এভাবেই ভয় সৃষ্টির জন্য সহিংসতার নিয়মিত ব্যবহার, এবং রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনে সরাসরি সামরিক বিজয় সম্ভব হয় না। এর ফলে কিছু সামাজিক বিজ্ঞানীর নেতৃত্বে গেরিলা যুদ্ধের "দুর্বল অস্ত্র" এবং সন্ত্রাসবাদের "দুর্বলতম অস্ত্র" হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ব্যাপক ভয় সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় প্রচারকে আকৃষ্ট ও বজায় রাখার জন্য, সন্ত্রাসীদের ক্রমবর্ধমান নাটকীয়, সহিংস ও উচ্চ-প্রোফাইল আক্রমণের সাথে জড়িত থাকতে হবে। এদের মধ্যে হাইজ্যাকিং, হোস্টগেট, অপহরণ, গাড়ী বোমা হামলা, এবং প্রায়শই আত্মঘাতী বোমা হামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দৃশ্যত এলোমেলো হলেও, সন্ত্রাসী হামলার শিকার এবং অবস্থানগুলি প্রায়ই তাদের শক মূল্যের জন্য সাবধানে নির্বাচিত হয়।স্কুল, শপিং সেন্টার, বাস এবং ট্রেন স্টেশন, এবং রেস্টুরেন্ট এবং নাইটক্লাবগুলি উভয়কেই লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে কারণ তারা বিশাল জনতাকে আকৃষ্ট করে এবং কারণ সেগুলি এমন জায়গা যেখানে বেসামরিক জনসংখ্যার সদস্য পরিচিত এবং এতে তারা সহজে অনুভব করে। সন্ত্রাসবাদ লক্ষ্য সাধারণত তাদের সবচেয়ে পরিচিত জায়গায় নিরাপত্তার জনসাধারণের জ্ঞান ধ্বংস করা হয়। প্রধান লক্ষ্যগুলি কখনও কখনও দূতাবাস বা সামরিক স্থাপনাগুলির মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক প্রতীকগুলিতে বিল্ডিং বা অন্যান্য অবস্থানগুলি অন্তর্ভুক্ত করে। সন্ত্রাসীর আশঙ্কা হচ্ছে যে সন্ত্রাসের ধারনা এই কর্মকাণ্ডের ফলে জনসংখ্যার একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক প্রান্তের দিকে রাজনৈতিক নেতাদের চাপিয়ে দেবে।
সাধারণ মানুষের কাছে সন্ত্রাসবাদের বিশেষ কতকগুলো বৈশিষ্ট্য আছে —
১) সন্ত্রাসবাদ সাধারণ মানুষ ও সরকারের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ।
২) আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয় হিংসাত্মক বা নাশকতা মূলক ক্রিয়াকলাপের দ্বারা ।
৩) আতঙ্ক বা সন্ত্রাস সৃষ্টি করা হয় কোন সু সংগঠিত দল বা জনগোষ্ঠী দ্বারা ।
৪) আতঙ্ক সৃষ্টি করে তারা সেই জনগোষ্ঠী কে বা সরকার কে কোনও কাজ করতে বা কোনও কাজ না করতে বাধ্য করে বা বাধ্য করার চেষ্টা করে ।
৫) তাদের কার্যকলাপের মূলে থাকে অন্ধবিশ্বাস । এই অন্ধবিশ্বাস যে, একমাত্র তাদের পথেই মানুষের তথা সমাজের মঙ্গল সম্ভব।
৬) তাদের অন্ধবিশ্বাসের বাস্তব রূপদানের জন্য তারা সব কিছু করতে পারে। এমন কি নিজেদের মৃত্যু ঘটাতেও এরা পিছপা হয় না ।
বিশ্ব জঙ্গিবাদ মানবসমাজকে ঠেলে দিতে চাইছে এমন একটি অন্ধকার সময় ও স্থানের দিকে, যেখানে গণতান্ত্রিক সমাজের ধারণাগুলো বিলুপ্ত। যেখানে বিশ্বজনীন নিয়মনীতি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত। সেটা তারা করতে চাইছে সমাজ কাঠামোতে ভাঙন ধরিয়ে চতুর কৌশলে মানবসমাজে বিভাজন সৃষ্টির মাধ্যমে। সভ্য মানুষের বিশ্বাস, সংস্কার কিংবা আচার-আচরণের মূলে কুঠারাঘাত দিয়ে ভয়াল বিপর্যয় ঘটিয়ে নিত্যনতুন নির্মম সন্ত্রাস, অমীমাংসিত হত্যাকাণ্ড ও অরাজক পরিস্থিতিতে অসহনীয় পারিপার্শ্বিকতা তৈরি করে। যাতে নাগরিক মানুষের মনে সন্দেহ, সংশয়, আতঙ্ক ও ত্রাস সৃষ্টি হয় এবং সুশীল সমাজে স্বাধীনতা ও সাধারণ মানুষের বাঞ্ছিত জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হতে হতে সামাজিক পরিবেশজুড়ে নেমে আসে মৃত্যুশীতল বিপর্যয়। কেননা সমাজবদ্ধ মানুষের সুস্থ চেতনাই মানব সভ্যতাকে এগিয়ে দেয় সুস্থতর ভবিষ্যৎ নির্মাণের দিকে। মানুষকে করে তোলে মানবিক গুণাবলির আদর্শের ধারক।
বৈশ্বিক ‘সন্ত্রাসবাদ' শব্দটি বহুল আলোচিত হয় নাইন ইলেভেনের ঘটনার পর যখন মার্কিন যু্ক্তরাষ্ট্রে বুশ সরকার ‘ওয়ার অন টেরর' ঘোষণা করেন, যদিও এর ব্যবহার অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছিল৷ কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ‘জঙ্গিবাদ' ও ‘সন্ত্রাসবাদ' শব্দ দু'টোর অর্থ ও ব্যবহার কোথায় ও কীভাবে হচ্ছে তা নিয়ে ব্যাপক মতপার্থক্য ও ধোঁয়াশা দেখা যাচ্ছে৷ কোনটাকে জঙ্গিবাদ ও কোনটাকে সন্ত্রাসবাদ বলা হচ্ছে তা নিয়েও পরিষ্কার ধারণার অভাব দেখা গেছে৷ সমাজ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলছেন যে, জঙ্গিবাদ হলো এক ধরনের বিশ্বাস ও মূল্যবোধের প্রতি আনুগত্য থেকে উৎসারিত, যা সমাজে প্রতিষ্ঠিত নয় এবং তার জন্য সহিংসতার পথ বেছে নেয়া হতে পারে৷ আর সন্ত্রাসবাদ জঙ্গিবাদের একটি পথ হতে পারে আবার আলাদা একটি আচরণ হতে পারে যেখানে মূল লক্ষ্য আতঙ্ক তৈরি৷
পৃথিবীতে জঙ্গিবাদ সৃষ্টির প্রধান কারণগুলো কোন পরিস্থিতিতে তৈরি হয়, তার ব্যাখ্যা অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে অপরাধ জগতের অজস্র তথ্যবৃত্তান্ত। যেখানে সন্ত্রাস সংঘটনকারীদের পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে তাদের জঙ্গিবাদী কার্যকারণ সম্পর্ক মেলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন সন্ত্রাস বিশ্লেষকরা। আর সে জন্যই জিজ্ঞাসা জেগেছে, বর্তমান বিশ্বে জঙ্গিবাদের এই বিপুল উত্থান কিসের কারণে? সে কি দারিদ্র্যের কশাঘাত, ধর্মীয় উন্মাদনার যুক্তিহীন উন্মেষ, রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষের কুটিল অভিপ্রায়, বিপ্লবী বাসনা, মানসিক নাকি সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে অবরুদ্ধ বিদ্রোহে?
সমাজের বিভিন্ন ধরণের ঘটনার উপর নির্ভর করে সন্ত্রাসবাদেরও বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে । তবে মুলতঃ সন্ত্রাসবাদ কে চার ভাগে ভাগ করা যেতে পারে । ক) রাজনৈতিক খ) সামাজিক,গ) ধর্মীয় ও ঘ) মনস্তাত্ত্বিক । তবে বর্তমান সময়ে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদই সন্ত্রাসবাদের সবচেয়ে পরিচিত ও আলোচিত রূপ ।অনেকে আধুনিক জঙ্গিবাদের মূল কারণকে রিলিজিয়াস ফ্যানাটিজম বা ধর্মীয় উন্মাদনার বিস্তার বলে বিশ্বাস করেন। ধর্মীয় উগ্রতা বর্তমান সময়ে জঙ্গিবাদের পরিবেশ সৃষ্টিতে অনুক‚ল ভূমিকা তৈরি করছে। কিন্তু সেটাই কি শুধু মূল কারণ? পৃথিবীর নানা ধর্মমতে এমন অজস্র অনুসারী রয়েছেন, যারা নিজেরা ধর্মান্ধ হয়েও কোনো ধরনের সহিংস নীতির প্রতি মোটেই বিশ্বস্ত নন। এরমধ্যে কিছু উগ্র ধর্মান্ধরা ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করে এর অপব‍্যাখ‍্যা করছে। যার প্রতিফলন এই সন্ত্রাসবাদ।
জঙ্গি প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তি অর্জন, তাদের পরিপুষ্টি লাভের পেছনে সর্বদাই যে দেশীয়ভাবে রাষ্ট্রীয় শক্তির সমর্থন থাকে, তা নয়। তবে বাস্তব সত্য হলো, অর্থনৈতিক অভিপ্রায় নিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের লোভ থেকে একটি সুনির্দিষ্ট রাষ্ট্রের মধ্যেই যেমন ছোট ছোট জঙ্গি সংগঠনের জন্ম হচ্ছে, তেমনি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও আঞ্চলিক পর্যায়ে শক্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য নিয়ে অথবা এক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপর রাষ্ট্রের প্রতিহিংসা চরিতার্থের উপায় হিসেবে এখনো কিছু কিছু রাষ্ট্র পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় এদের সৃষ্টি করে যাচ্ছে আর্থিক ও নৈতিক সহযোগিতায় সমর্থন জুগিয়ে। কেননা বর্তমান জঙ্গিবাদ রাজনৈতিক আন্দোলন কিংবা আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারের জন্য লক্ষ্যে পৌঁছানোর এমনই এক মোক্ষম অস্ত্র, যা ছায়াযুদ্ধ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে সরাসরি সৈন্য নামিয়ে যুদ্ধ ঘোষণার পরিবর্তে। তাই সর্বজনীনভাবে বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা থাক কিংবা না-ই থাক, জঙ্গিদের আইনবহির্ভূত অনৈতিক কর্মধারা থেমে নেই একেবারেই। বরং বিজ্ঞান ও নব্য প্রযুক্তির নিত্য নতুন দিক উন্মোচনের পাশাপাশি জঙ্গিদের জঙ্গিত্ব সৃষ্টির অভিনব সব কৌশলপদ্ধতি বিস্ময়কর প্রক্রিয়ায় এগিয়ে চলেছে অপ্রতিহত প্রতিযোগিতার সুনির্দিষ্ট পথ ধরে। রোবোটিক, জেনিটিক, নিওরোসায়েন্স, বায়োটেকনোলজির আবিষ্কার যেমন অব্যাহত অগ্রগতিতে আমূল বদলে দিচ্ছে মানুষের জীবনধারা আর বিচিত্র জীবের পৃথিবীকে, তেমনি আধুনিক প্রযুক্তির সদ্ব্যবহারে আন্ডারগ্রাউন্ডে সন্ত্রাসীরাও তাদের জঙ্গিবাদে জাগিয়ে তুলছে নতুন সৃষ্টির উন্মাদনা।
জঙ্গি মানসিকতা নিশ্চিতভাবেই সমাজের কিছুসংখ্যক মানুষের এমন এক সাইকোলজিক্যাল বৈশিষ্ট্য, যা শক্তিমান প্রভাবশালীদের কাছ থেকে আর্থিক, নৈতিক, আদর্শগত ও আইনগত আনুক‚ল্য লাভ করে মানবসমাজের ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে এবং পরিস্থিতিতে একেকভাবে বাস্তবতা পায়। বাস্তবে তার সক্রিয় প্রকাশ তখনই ঘটে, যখন সেই মনস্তত্ত্ব দেশীয় শক্তি অথবা আন্তর্জাতিক মহলের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক কিংবা ধর্মীয় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়। তাই দেহ-মনের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির পেছনে যেমন কার্যকারণ সম্বন্ধ খুঁজে সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দান করা চলে, জঙ্গিবাদকে সব ক্ষেত্রেই সেভাবে বিশ্লেষণ করা যায় না। জঙ্গিবাদের বৈজ্ঞানিক কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ও তাই অনেক সময়ই সম্ভব হয় না। যা-ই হোক, সন্ত্রাস নির্মূলের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও সন্ত্রাসবাদের বিপুল উত্থানে বিশ্বের মধ্যে তৈরি হয়েছে আরো একটি বিশ্ব। তার নাম জঙ্গি বিশ্ব। কারণ, জঙ্গি প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বজুড়ে এত বেশি দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি করে চলেছে তাদের সদস্য সংখ্যা, তার প্রভাব পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই আলোড়ন তুলেছে।
সন্ত্রাসবাদ, জনসংখ্যার ভয়ে সাধারণ জলবায়ু তৈরির জন্য সহিংসতার নিয়মিত ব্যবহার, যাতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আনতে পারে। জাতীয়তাবাদী ও ধর্মীয় গোষ্ঠী, বিপ্লবীদের দ্বারা এবং এমনকি সেনাবাহিনী, গোয়েন্দা পরিষেবা এবং পুলিশ কর্তৃক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলির দ্বারা ডানপন্থী ও বামপন্থী উভয় উদ্দেশ্যগুলি নিয়ে রাজনৈতিক সংগঠনগুলি সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে।

No comments:

Post a Comment

'হে মোর চিত্ত,পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধীরে'

পরিস্থিতি যত উদ্ভট, সমাজের পরিবেশ যত প্রতিকূল, মূলত সময় এখন প্রশ্রয় দেয় অজ্ঞতায়। অন্তরস্থ ভাঙন তত তরান্বিত। সাধারণ ভাবে চতুর্...