"That's one small step for a man, one gaint leap for mankind "
আজ থেকে ৫২ বছর আগে, এই দিনেই, ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই ‘স্যাটার্ন ৫’ রকেটে চেপে চাঁদে পাড়ি দিয়েছিল ‘অ্যাপোলো ১১’। আজ সেই ঐতিহাসিক দিন।প্রথম চাঁদের মাটিতে পা পড়ল মানবের। মানব সমাজের প্রতিনিধি হিসাবে পা দিলেন নীল আর্মস্ট্রং ও বাজ অলড্রিন। চন্দ্র পৃষ্ঠের রুক্ষ ভূমিতে উড়ল মানুষের বিজয় পতাকা। মানবসভ্যতার ইতিহাসে শুরু হলো এক নতুন অধ্যায়। সফল হলো নাসার চন্দ্রাভিযান। তার পর থেকে একাধিক বার চাঁদে পাড়ি দিয়েছে মানুষ। অ্যাপোলো ১১-র ৫২ বছর পূর্তি উপলক্ষে একবার দেখে নেওয়া যাক সে দিনের সেই জার্নিটা।
ফ্লরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ হয়েছিল অ্যাপোলো ১১-এর। তিন জন মার্কিন মহাকাশচারী সে দিন চাঁদের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। নীল আর্মস্ট্রং, এডুইন (বাজ) অলড্রিন এবং মাইকেল কলিন্স। চাঁদের মাটিতে পা রেখে বদলে দিয়েছিলেন মানবসভ্যতার ইতিহাস। ১৬ জুলাই রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা। চাঁদের মাটিতে পৌঁছতে তাঁদের সময় লেগেছিল ৪ দিন। অর্থাৎ ২০ জুলাই চাঁদের কক্ষপথে প্রদক্ষিণের পর চাঁদের মাটিতে নামেন তিন মহাকাশচারী।
সে দিন চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রাখেন মার্কিন মহাকাশচারী নীল আর্মস্ট্রং। তার পরে নামেন এডুইন অলড্রিন। সব শেষে নামেন পাইলট মাইকেল কলিন্স। চাঁদে মানুষের সেই প্রথম পদার্পণের ঘটনা বিশ্বজুড়ে টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছিল সে দিন। একটি ব্যাগে নমুনা হিসেবে ২১.৫ কিলোগ্রাম চাঁদের মাটি এবং পাথর ভরে ফিরে এসেছিলেন তিন মহাকাশচারী। পরে জানা গিয়েছিল, সেই ব্যাগটি হারিয়ে ফেলেছিল নাসা। তবে ২০১৩ সালে সেটির খোঁজ মেলে। তবে ২০১২ সালে মাত্র ৯৯৫ ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৭৫ হাজার টাকার বিনিময়ে এক ব্যক্তিকে ওই ব্যাগটি বিক্রি করে দিয়েছিল মার্কিন মার্শাল বিভাগ।
যে রকেটে চেপে উড়ে ছিল অ্যাপোলো ১১, তার উচ্চতা ছিল ৩৬৪ ফুট। ওজন ছিল ২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭২৫ কিলোগ্রাম। আর অ্যাপোলো ১১-র ওজন ছিল ৪৫ হাজার ৭০২ কিলোগ্রাম। পৃথিবী থেকে উৎক্ষেপণ এবং ফের পৃথিবীতে অবতরণ— এই মিশনটা সম্পূর্ণ হতে মোট সময় লেগেছিল ৮ দিন ৩ ঘণ্টা এবং ১৮ মিনিট।
তথ্য সূত্র : উইকিপিডিয়া ও বিভিন্ন ওয়েবসাইট।
No comments:
Post a Comment