Tuesday, April 16, 2019

নূসরাতের_মৃত্যু_ও_ইসলামিক শরিয়া

সূরা আন-নিসা, আয়াত-১৫

وَ الّٰتِیۡ یَاۡتِیۡنَ الۡفَاحِشَۃَ مِنۡ نِّسَآئِکُمۡ فَاسۡتَشۡہِدُوۡا عَلَیۡہِنَّ اَرۡبَعَۃً مِّنۡکُمۡ ۚ فَاِنۡ شَہِدُوۡا فَاَمۡسِکُوۡ ہُنَّ فِی الۡبُیُوۡتِ حَتّٰی یَتَوَفّٰہُنَّ الۡمَوۡتُ اَوۡ یَجۡعَلَ اللّٰہُ  لَہُنَّ  سَبِیۡلًا ﴿۱۵﴾

""আর তোমাদের  মধ্য থেকে যারা ব্যভিচার করে, তোমরা তাদের উপর তোমাদের মধ্য থেকে চার জন সাক্ষী উপস্থিত কর। অতঃপর যদি তারা সাক্ষ্য দেয় তবে তোমরা তাদেরকে ঘরের মধ্যে আবদ্ধ রাখ যতক্ষণ না মৃত্যু তাদের জীবন শেষ করে দেয়। অথবা আল্লাহ তাদের জন্য কোন পথ তৈরি করে দেন""

#নূসরাতের ধর্ষন প্রমানের জন্য চারজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী লাগবে,,। বেচারি এখন সাক্ষি কোথায় পাবে,,? তার নির্যাতনের সময় কেউ'ই ওখানে উপস্থিত ছিলোনা।

ব্যাভিচারের প্রমান সরূপ চারজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী উপস্থিত করতে হবে।

তারপর'ও  নূসরাত বিচারের জন্য ইসলামি খলিফার কাছে গেল এবং নিজের নির্যাতনের অভিযোগ পেশ করলো।

কিন্তু এক'ই,,,,!

সূরা আন-নূর আয়াত-৪

وَ الَّذِیۡنَ یَرۡمُوۡنَ الۡمُحۡصَنٰتِ ثُمَّ لَمۡ یَاۡتُوۡا بِاَرۡبَعَۃِ  شُہَدَآءَ فَاجۡلِدُوۡہُمۡ ثَمٰنِیۡنَ جَلۡدَۃً  وَّ لَا تَقۡبَلُوۡا لَہُمۡ شَہَادَۃً  اَبَدًا ۚ وَ اُولٰٓئِکَ ہُمُ  الۡفٰسِقُوۡنَ ۙ﴿۴﴾

""আর যারা সচ্চরিত্র নারী বা পুরুষের প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারপর তারা চারজন সাক্ষী নিয়ে আসে না, তবে তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত কর এবং তোমরা কখনই তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করো না। আর এরাই হলো ফাসিক""

ইবনে কাসির,,,,,

""এই আয়াতে ব্যভিচারের অপবাদদাতাদের শাস্তির বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ঘোষণা করা হচ্ছেঃ যারা কোন স্ত্রীলোক বা পুরুষ লোকের উপর ব্যভিচারের অপবাদ দেয় তাদের শাস্তি হলো এই যে, তাদেরকে আশিটি চাবুক মারতে হবে। হ্যা, তবে যদি তারা সাক্ষী হাযির করতে পারে তবে এ শাস্তি হতে তারা বেঁচে যাবে""

খলিফা, ব্যাভিচারের প্রমান হিসেবে চারজন প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী না পেয়ে নূসরাতকে আবার আশিটি বেত্রাঘাত করার অনুমতি দিলেন।

ধর্ষিতা যদি চারজন প্রত্যক্ষদর্শী প্রমান হিসেবে  পেশ না করে তাহলে সে আশিটি বেত্রাঘাত ভোগ করবে।

ধর্ষকদের প্রতি মোহাম্মদের ছিলো অগাধ ভালোবাসা
ও ব্যাভিচারের প্রতি মোহাম্মদ ছিলো শ্রদ্ধাশীল,,
যা এই হাদিসটি থেকে প্রমান হয়।

সূনান ইবনে মাজহা, হাদিস নং ২৫৯৮

""ওয়াইল ইবনে হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এক মহিলাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোনরূপ শাস্তি দেননি, কেননা সে এমন তওবা করেছিলো যা কোন মদিনাবাসী করলে তা কবুল হয়ে যেত""

ধর্ষককে হাতেনাতে ধরে'ও মোহাম্মদ  তাকে কোন শাস্থি দেয় নি। মোহাম্মদ নিশ্চিত ভাবে'ই কোরান অমান্য করেছিলো।

কিন্তু পরষ্পরেকে ভালোবেসে যারা নিজেদের ভিতর যৌনসম্পর্ক করে তাদের প্রতি মোহাম্মদের ছিলো প্রচন্ড হিংসা।

সহীহ বুখারি, হাদিস নং ১৩২৯

""আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট ইয়াহূদীরা তাদের এক পুরুষ ও এক স্ত্রীলোককে হাযির করল, যারা ব্যাভিচার করেছিল। তখন তিনি তাদের উভয়কে রজমের (পাথর নিক্ষেপে হত্যা) নির্দেশ দেন। মসজিদের পাশে জানাযার স্থানের নিকটে তাদের দু’জনকে রজম করা হল""

পরিশেষে বলা যায় ইসলামি আইনে নূসরাত কোন বিচার'তো পেত'ই না বরং তাকে উলটা আশিটি বেত্রাঘাত সয্য করা লাগতো।

ধর্মানুভূতি কি?

ধর্মানুভূতি হল শাষকের অস্ত্র,সুশীল সমাজের এড়িয়ে যাওয়ার মন্ত্র,আর অশিক্ষিতের আবেগ।

ধর্মানুভূতিতে আঘাত শুধু ধর্ম সমালোচনা করলেই হয়?ক্লাসে পড়ানো হয় সূর্য স্থির পৃথিবী ঘোরে এতে কী ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে না?অথচ লাগার কথা।বিবর্তনবাদ পড়লে ,জিন গবেষণা করলে কৈ ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে না? দাবানল, জোয়ার-ভাঁটা, দিন-রাত কি কারনে হয় পড়লে এবং পড়ালে ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে না?শুধু কিছু ধর্মীয় অযৌক্তিক কুসংস্কার নিয়ে আলোচনা করলেই ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে?

    ধর্মানুভূতি দিয়ে চাষাবাদ হয়না, শিল্পোৎপাদন হয় না,শিক্ষা হয় না, গবেষণা হয় না।ধর্মানুভূতি দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা,দাঙ্গা হয়,নোংরা রাজনীতি হয়।অত‌এব একে আঘাত করো।আঘাত কর এর গোড়ায় এবং বুকে।

   লড়াইটা আমাদের তাদের বিরুদ্ধে যারা বলে "ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নয়"।

তিন গুরুর যোগ্য শিষ্য!

গতকাল বৈশাখের প্রথম দিন ছিল। তাই ঘুরতে বেরিয়েছিলাম। কিন্তু চারদিকে নির্বাচনী প্রচার আর এন করেংগে তেন করেংগে ভাষণ। তাই নববর্ষটা নির্বাচনের লহরে মাতোয়ারা। যাক, এসব তো চলছে চলবে। রাস্তায় রাস্তায় ভাষণ শুনে কানটা ঝালাপালা তারসাথে বিকেলে যখন টিভির পর্দায় নিউজ দেখছিলাম তো হঠাৎ বানিজ্যিক বিরতিতে দেখি বোধহয় 'নন কমার্শিয়াল' হবে 'আকৌ একবার' (অসমিয়া ভাষায়) অর্থাৎ 'আরও একবার'। প্রচারটা দেখেই নীচের কিছু লেখা ক্রমবিকাশ---

যে বেশি বকে, সে বেশি মিথ্যা কথাও বলে। সেই জানাচেনা সত্যি কথাটা নরেন্দ্র মোদির কারবার দেখে আবার সত্যি বলে প্রমাণিত হচ্ছে। ডজন ডজন প্রতিশ্রুতি দেওয়া, না রাখতে পারা, ব্যর্থতা ঢাকতে আবার প্রতিশ্রুতি আপাতভাবে মনে হবে মোদিভাই এমন সহজ-সোজা রাস্তাতেই চলছেন। সংবাদ প্রচারেও সেই চালু লাইন--- '#অন_দ্য_রেকর্ড' মন্তব্যের সঙ্গে '#অব_দ্য_রেকর্ড মন্তব্য' 'বন্ধু' সংবাদ মাধ্যমকে 'খাওয়ান'। বস্তুত, ওইসব সংবাদ মাধ্যমের দায়িত্ব মোদিরাজার ইঙ্গিত অনুযায়ী ক্যানেস্তারা পেটান। সেই জানাচেনা রাস্তা। নোট বন্দি থেকে বালাকোট, নীতি-আয়োগ থেকে রিজার্ভ ব্যাংক, যেদিকে তাকানো যায়, দেখা যাবে, সেই চিরচেনা পথ প্রতিষ্ঠানকে ছাপিয়ে নিজের স্বার্থ এবং কৃতিত্ব স্থাপনা। যারা প্রতিবন্ধক তাদের মানসিক এবং শারীরিকভাবে নিশ্চিহ্ন করা। যারা ষাট দশকের ভারতবর্ষে বেড়ে উঠাছে, তাদের কাছে এ রাস্তা হাতের তালুর মতো চেনা।

একটু খাতিয়ে দেখলেই বোঝা যাবে এমন ন্যালাখ্যাপামির সঙ্গে জুড়ে গেছে নানান ঐতিহাসিক চিন্তাধারা। এবং ওই আপাত কাছাখোলা ভাব ঠিক তত সরল নয়। এ বেশ সুচারু শিল্পকলা! রাজপাট চালনার এই কারুকৌশল মোদি শিখেছেন ইতিহাস পড়ে। তার তিন শিক্ষক--- #বেনিটো_মুসোলিনি, #অ্যাডলফ_হিটলার আর #পল_জোসেফ_গোয়েবলস।
মুসোলিনি বলেছিলেন ফ্যাসিজম আর কর্পোরেটিজম একই কথা। রাষ্ট্র আর কর্পোরেট ক্ষমতার একাত্মকরণ। মুসোলিনির পথে চলেই মোদি চেয়েছেন ভারত নামক রাষ্ট্রযন্ত্রের সঙ্গে আম্বানি, আদানি, মেহুল চোকসি প্রমুখের ক্ষমতার মেলবন্ধন ঘটাতে। তা হলেই, মোদিভাইয়ের ধারণা, তার দাপট নিরঙ্কুশ হবে, দীর্ঘায়িত হবে রাজত্বকাল। দেশে দেশে, ঘরে ঘরে তার বাণী পৌঁছে যাবে। হয়তো বল্লবভাই প্যাটেলের থেকেও উচ্চতর মোদি মূর্তি স্থাপন করা হবে তার জীবদ্দশাতেই। সরকারি পাঠ্যপুস্তকে পড়ানো হবে 'চৌকিদার' মোদির জীবনকথা। চলচ্চিত্র পরিচালকরা নির্মাণ করবেন 'মোদি মনীষীর জীবনচিত্র'! এইসব করতে কর্পোরেট সমর্থন লাগে। সেইজন্যেই হয়তো তাদের কিছু দাক্ষিণ্য বিতরণ!

মুসোলিনি আর একটি কথা বলেছিলেন 'এক অসামরিক নাগরিক এবং একজন সৈনিক, দু'জনেই অবিচ্ছেদ্য। অসামরিক বলে কিছু হয় না। সবাই সৈনিক অতএব প্রতিটি অসামরিক মানুষকে সৈনিক করে তুলতে চেয়েছেন মোদিভাই। এক নামি টিভি চ্যানেলের সমীক্ষা অনুযায়ী গত পাঁচ বছরে মোদি জামানায় নেতাদেরে ঘৃণা ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে কয়েক ১০০ শতাংশ। ফলশ্রুতিতে আমাদের চোখের সামনে ঘটে গেছে #গৌরী_লঙ্কেশ, #কালবুর্গি, #দাভোলকার, #পানসারে, #আখলাক, #প্রদীপ_রাঠোর প্রমুখের হত্যা। মোদিরাজার বিরুদ্ধাচরণ করে কিছু বললে বা লিখলে শুরু হয়ে যাচ্ছে সোস্যাল মিডিয়ায় আক্রমণ। এইতো কদিন আগের নাসিরউদ্দিন শাহ থেকে চিত্রদ্বীপ সোমের ঘটনা। সেক্ষেত্রে নামি বেনামির কোনও ভেদ নেই। সবাইকে সমান মানসিক অত্যাচার। বিজেপি-র প্রভাবে সাধারণ মানুষ এখন সৈনিক! বিরুদ্ধে মত হলেই সে দেশদ্রোহী। অতএব তাকে পীড়ন, খতম করার দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নেওয়া যায়।

১৯৩৩ সালের প্রারম্ভে ন্যাশনাল সোশালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি, ডাক নামে যাদের নাৎসি বলা হতো, তাদের দুশ্চিন্তা ছিল, হাতে টাকা নেই ভোট লড়া হবে কেমন করে??? ২৭ জানুয়ারি হিটলার শিল্পপতিদের সামনে আড়াই ঘন্টা ধরে নাটুকে ভঙ্গিতে বক্তৃতা দেন। বিরতিহীন। ব্যস নাৎসি পার্টির কোষাগার ভরে উঠল। কারণ, শিল্পপতিরা বুঝে গেলেন এতদিনে এমন লোক পাওয়া গেছে, যে কমিউনিজমের বিপদ থেকে, ট্রেড ইউনিয়নের দাবি দেওয়ার হাত থেকে তাদের বাঁচাবে। কারণ, বক্তৃতায় হিটলার দুটি খুব দরকারি কথা শিল্পপতিদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন--- মশায়রা, আপনাদের মধ্যে যারা মনে করেন ন্যাশনাল সোশ্যালিস্টদের কোনও কিছু করার মুরোদ নেই, তারা নিজেদের ঠকাচ্ছেন। আমরা আজ না থাকলে জার্মানিতে বুর্জোয়া শ্রেণির কোনও অস্তিত্ব থাকত না। বলশেভিজম সব গ্রাস করে নিত। আমরাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি জার্মানির মাটি থেকে মার্কসিজমকে মূলসুদ্ধ উপড়ে ফেলবার। দ্বিতীয় যা বলেছিলেন--- আগামীদিনে জার্মানির প্রতিটি রাস্তা আমরা উদ্ধার করব জার্মানদের জন্য, আর কেউ থাকবে না। এই পাঠ নেওয়া মোদির কাছেও তাই যে কোনও রঙের কমিউনিজম, যে কোন অন্য দলের পতাকার সমাজতান্ত্রিক ভাবাদর্শ সবচেয়ে বড় বিপদ। অন্যান্য দলগুলিকে খতম করতেই বিদেশ থেকে আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র আসে। 'দেশপ্রেম' জাগাবার আস্ফালন করতে করতে বিজেপি-আর এস এস হিন্দুত্বের হুংকার ছোঁড়ে। মুসলমান,দলিত,তথা নীচু জাতিদের খতম করবার আহ্বান ছুঁড়ে দেয়। কখনও ঠারেঠোরে, কখনও খুল্লাম-খুল্লা বোঝাবার চেষ্টা করে ভারতবর্ষের প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি বাড়ি, প্রতি ইঞ্চি জমি হিন্দুদের, মোদিপন্থী হিন্দুদের বাকিরা কেটে পড়।

তবে অব দ্য রেকর্ডে মিথ্যা গুঁজে দেবার শিক্ষাটা গোয়েবলস এর থেকে নেওয়া--- 'যদি একটা বড়ো নির্জলা মিথ্যে বারবার বলতে থাক, বারবার, মানুষ ক্রমশ তা বিশ্বাস করবেই ততক্ষণ অবধিই এই মিথ্যে ধরে রাখা যাবে, যতক্ষণ রাষ্ট্র তার জনগণকে এই মিথ্যের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক পরিণামের ধাক্কা বুঝতে দেবে না। এই জন্যই প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরকে সর্বশক্তি দিয়ে দমন করা রাষ্ট্রের পক্ষে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সত্যের সঙ্গে মিথ্যার কাটাকাটির সম্পর্ক এবং সত্যই হল রাষ্টের সবথেকে বড়ো শত্রু।' অতএব  আর কোনও উপায় নেই। এইজন্যই মোদিরাজাকে অর্থনীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য--- পরিসংখ্যানের কাজে যুক্ত যেসব প্রতিষ্ঠান, তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করতে হয়। যে পরিসংখ্যান সরকারের অনুকুল নয়, তাকে চেপে দিতে হয়। সারা বিশ্বে সুনাম আছে যে সংস্থাগুলির তাদেরকে নিজেদের ভৃত্য বানাবার চেষ্টা করতে হয়! পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘোরে বলার অপরাধে গ্যালিলিওর মুখ বন্ধ করতে চেয়েছিল স্বৈরাচারী 'সমাজপালক', এ ঘটনা তারই সমতুল‍্য। এ ঘটনা অভূতপূর্ব, অবৈজ্ঞানিক হলেও সেই মধ্যযুগীয় ব্যবস্থাতেই আস্থা রাখতে হয় 'চৌকিদার' নরেন্দ্র মোদিকে! বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে শতাধিক নামি অর্থনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানী এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সচেতন হবার ডাক দিলেও তা বধির রাজার কানে ঢোকে না। ক্ষমতা বজায় রাখতে এমনভাবেই গোয়েবলসীয় কায়দায়, সত্যের টুঁটি চেপে ধরে মিথ্যার প্রচার-প্রসার, দমন পীড়ন করে যেতেই হবে তাকে। কেউ কেউ বলেছেন, ভোটের আগেই আবার কিছু একটা সাজানো নাটক করতেই হবে মোদিজিকে। সে 'সার্জিক্যাল স্ট্রাইক' হতে পারে কিংবা আবার একটা 'সন্ত্রাসবাদীহানা' হতে পারে। মিথ্যা বজায় রেখে ভোট জিততে হবে যে!

তবে মোদি সাহেব একটা পাঠ নিতে ভুলে গেছেন সম্ভবত। সেই যে দাড়িওয়ালা জার্মান সাহেব, কার্ল মার্কস, কবেই বলেছেন, #ইতিহাসের_পুনরাভিনয়_হয়_ঠিকই, #কিন্তু_তা_হয়_প্রহসন_হিসাবে। দেশবাসী সেই প্রহসন দেখার অপেক্ষায়।

এ প্রথম কৃষ্ণ গহ্বরের ছবি প্রকাশ

জোতির্বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মত একটি কৃষ্ণ গহ্বরের চিত্র ধারণ করেছেন যা দূরবর্তী এক ছায়াপথে অবস্থিত।

এটি ৪০ বিলিয়ন কিমি ব্যাপী বিস্তৃত এবং পৃথিবী থেকে তিন মিলিয়ন গুন বড় - এবং বিজ্ঞানীরা এটিকে "একটি দৈত্য" হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

কৃষ্ণ গহ্বরটি ৫০০ মিলিয়ন ট্রিলিয়ন কিমি দূরে অবস্থিত এবং বিশ্বব্যাপী সমন্বিত আটটি শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের দ্বারা এটির চিত্র ধারণ করা হয়েছে।

যার বিশদ আজ প্রকাশিত হয়েছে এস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্সে।

ঘটনা দিগন্ত দূরবীক্ষণযন্ত্র বা ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ (ইএইচটি) দ্বারা এই চিত্র ধারণ করা হয়েছে, যা আটটি সংযুক্ত দূরবীক্ষণ যন্ত্রের একটি সমন্বয়।

নেদারল্যান্ডসের রাডবউড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিনো ফ্যালক, যিনি এই গবেষণা প্রকল্পের প্রস্তাব দেন, তিনি বিবিসি নিউজকে জানান যে, কৃষ্ণ গহ্বরটি এমএইটিসেভেন নামক একটি ছায়াপথে পাওয়া গেছে।

তিনি আরো বলেন, "আমরা যেমনটি প্রত্যক্ষ করেছি, তা হল কৃষ্ণ গহ্বরটি আমাদের সমগ্র সৌরজগতের আকারের চেয়েও বড়"।

"এটি সূর্যের ৬.৫ বিলিয়ন গুন ভরবিশিষ্ট এবং যা আমরা মনে করি, এটি একটি অতিকায় দৈত্যাকৃতি অতিভরের কৃষ্ণ গহ্বরগুলির মধ্যে অন্যতম, মহাবিশ্বের অতিকায় দানবাকৃতি কৃষ্ণ গহ্বরগুলির মধ্যে অতিভরের দিক থেকেও শীর্ষে।"

প্রফেসর হিনো ফ্যালক বলেন, "আমাদের এখনও বুঝতে হবে কিভাবে সেখান থেকে আলোক নির্গত হয়"।

প্রফেসর ফ্যালক বর্ণনা করেন যে, "চিত্রটিতে দেখা যায় পুরোপুরি বৃত্তাকার গাঢ় অন্ধকার গর্তের চারপাশে একটি তীব্র উজ্জ্বল "আগুনের আংটি"র মত, যে ঔজ্জ্বল্য ফাকা গহ্বরের মধ্যে অধ:পতিত অতি উত্তপ্ত গ্যাস দ্বারা সৃষ্ট হয়। ছায়াপথের অন্যান্য নক্ষত্রগুলোর মিলিত ঔজ্জ্বল্যের তুলনায়ও আলোটি অত্যুজ্জ্বল - তাই পৃথিবী থেকে এতটা দূরত্ব হতেও এটিকে দেখা যেতে পারে।

গাঢ় অন্ধকার কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের প্রান্তটি সেই বিন্দু যেখান হতে গ্যাসীয় বলয়টি কৃষ্ণ গহ্বরে প্রবেশ করে, যা এরূপ একটি বস্তু যার মধ্যে তীব্র মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বল বিদ্যমান রয়েছে, যেখান থেকে এমন কি কোন আলোও অবমুক্ত হতে পারে না।

ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের ড. জিরী ইউনিসি, যিনি এই দলবদ্ধ কর্মপ্রকল্প 'ইএইচটির' অংশ -তার মতে, "প্রকৃতপক্ষে ছবিটি তাত্বিক পদার্থবিদ এবং হলিউডের চিত্র পরিচালকদের কল্পিত কৃষ্ণ গহ্বরগুলোর মতই দেখতে"।

"যদিও এটি তুলনামূলকভাবে সাধারণ বস্তু, তবে কৃষ্ণ গহ্বরগুলো স্থান-কালের প্রকৃতি এবং এমনকি আমাদের অস্তিত্ব সম্পর্কেও কিছু অতি জটিল প্রশ্ন উত্থাপন করে।"

"এটা অসাধারণ যে আমরা যে চিত্রটি পর্যবেক্ষণ করেছি সেটা আমাদের তাত্ত্বিক গণনার সাথেও তুলনামূলকভাবে মিলে যায়। এ পর্যন্ত যা মনে হচ্ছে, আইনস্টাইন আবারও সঠিক"।

কিন্তু এই প্রথম চিত্রটি থাকার ফলে গবেষকরা রহস্যময় এই বস্তুর সম্পর্কে আরো জানতে সক্ষম হবেন। পদার্থবিজ্ঞানে যেমনটি আশা করা হচ্ছে, কৃষ্ণ গহ্বর হতে বেরিয়ে যাওয়ার উপায় খুঁজতে তারা আগ্রহী হবে। যদিও গহ্বরের চারপাশে উজ্জ্বল রিং কিভাবে তৈরি হয় তা কেউ জানে না। এমনকি কোনও বস্তু কৃষ্ণ গহ্বরে পতিত হলে কী ঘটবে তা নিয়ে প্রশ্ন করা আরও বেশি উদ্দীপক।

একটি কৃষ্ণ গহ্বর কি?

কৃষ্ণ গহ্বর হলো এমন একটি স্থানিক অঞ্চল যা থেকে কিছুই, এমনকি অতি হালকা ভরের আলোও পালাতে পারেনা।

গহ্বর নাম সত্ত্বেও, সেটি মূলত ফাকা নয় বরং এর পরিবর্তে একটি ক্ষুদ্র অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণ ভরযুক্ত বস্তুর অতিসঙ্কুচিত অবস্থা, যা অতি মহাকর্ষীয় বলের সৃষ্টি করে।

ঘটনা দিগন্ত নামে কৃষ্ণ গহ্বরের বাইরে একটি অঞ্চল রয়েছে। এটি একটি "না ফেরার বিন্দু", যে বিন্দুর নিচে হতে কৃষ্ণ গহ্বরের অতি মহাকর্ষীয় প্রভাব এড়িয়ে কোনকিছু ফিরে আসা অসম্ভব।

অধ্যাপক ফ্যালক ১৯৯৩ সালে যখন পিএইচডি ছাত্র ছিলেন তখন তিনি প্রথম এই প্রকল্পের ধারণা দেন। সেই সময়ে কেউই ভাবতে পারেনি যে এমনটি সম্ভব হবে। তবে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে কৃষ্ণ গহ্বরের অতি কাছাকাছি এবং পুরোপৃষ্ঠ জুড়েই একটি নির্দিষ্ট ধরনের বেতার তরঙ্গ নির্গমন হতে পারে, যা এতটাই শক্তিশালী হবে যে পৃথিবী হতে দূরবীক্ষণ যন্ত্র দ্বারা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি ১৯৭৩ সালে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র পড়ার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন যে, উচ্চ মাধ্যাকর্ষণ বল ক্রিয়াশীল থাকার কারণে কৃষ্ণ গহ্বরগুলো প্রকৃত আকৃতির চেয়ে ২.৫ গুণ বড় দেখাবে।

এই দুটি সম্ভাব্যতার কারণেই আপাতদৃষ্টিতে হঠাৎ মনে হয়েছিল অসম্ভবকে সম্ভব হিসেবে। ২০ বছর যাবৎ তার প্রকল্প অবকাঠামো বিতর্কের পর, অধ্যাপক ফ্যালকে এই প্রকল্পের জন্য ইউরোপীয় রিসার্চ কাউন্সিলকে সম্মত করাতে পেরেছিলেন। পূর্ব এশিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন এন্ড এজেন্সিস তখন ৪০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি অর্থায়নের এই প্রকল্পের সাথে যোগ দেয়।

এটি এমন একটি বিনিয়োগ যা চিত্রটি প্রকাশনার সাথে সাথে সম্পাদিত হয়েছে। প্রফেসর ফ্যালকে আমাকে বলেছিলেন যে " মিশনটি সম্পন্ন হয়েছে"।

তিনি বললেন, "দীর্ঘ অভিযাত্রাটি সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু আমি নিজের চোখে এটা দেখতে চেয়েছিলাম। আমি জানতে চেয়েছিলাম, এটা কি বাস্তব'?

কোন একক দূরবীক্ষণ যন্ত্র কৃষ্ণ গহ্বরের চিত্র ধারণে যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। সুতরাং, এই ধরণের সবচেয়ে বড় পরীক্ষণে, হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অস্ট্রোফিজিকসের অধ্যাপক শেপার্ড ডলেলেম্যান আটটি সংযুক্ত টেলিস্কোপ নেটওয়ার্ক স্থাপনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি পরিচালনা করেছিলেন। একসঙ্গে, তারা ঘটনা দীগন্ত দূরবীক্ষণ যন্ত্র গঠন করে যা একটি গ্রহাকৃতি বিন্যস্ত বিন্যাস হিসাবে বিবেচিত হতে পারে।
যার প্রতিটি যন্ত্র হাওয়াই এবং মেক্সিকো আগ্নেয়গিরি, অ্যারিজোনা পর্বতমালা এবং স্প্যানিশ সিয়েরা নেভাদা, চিলির আতাকামা মরুভূমিতে এবং আন্টার্কটিকার আগ্নেয়গিরিসহ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন স্থানের উচ্চতায় স্থাপন করা হয়।

২০০ বিজ্ঞানীদের একটি দল এমএইটিসেভেন ছায়াপথের দিকে সংযুক্ত দূরবীক্ষণ যন্ত্রগুলোকে মুখ করে এবং ১০ দিন ব্যাপী এটির কেন্দ্রকে স্ক্যান করে।

তাদের সংগৃহীত তথ্য এতটাই বিশাল ছিল যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পাঠানো সম্ভব ছিল না। এর পরিবর্তে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বস্টন, জার্মানির বোনের প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রে  সংগৃহীত তথ্য শত-শত হার্ড ড্রাইভে সংরক্ষণ করা হয়েছিল। অধ্যাপক ডেলিম্যান এই অর্জনকে "অসাধারণ বৈজ্ঞানিক কৃতিত্ব" বলে বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন, "আমরা একটি প্রজন্ম আগেই অসম্ভব হতে অনুমিত এমন কিছু অর্জন করেছি"।

"এটা প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিরাট সাফল্য অর্জন, বিশ্বের সেরা রেডিও পর্যবেক্ষণকারী এবং নতুন  গাণিতিক উদ্ভাবনী পরিভাষিকগণ কৃষ্ণ গহ্বরগুলো সম্পর্কে সামগ্রীকভাবে একটি নতুন বাতায়ন খুলতে একত্রিত হয়েছিল।"

দলটি আমাদের নিজস্ব ছায়াপথ, মিল্কি ওয়ের কেন্দ্রে অবস্থিত অতিভারী কৃষ্ণ গহ্বরের চিত্র ধারণ করছে।

যদিও এটি শুনতে অদ্ভুত মনে হতে পারে, তবে ৫৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের ছায়াপথের একটি ছবি ধারণ করার তুলনায়ও এটি ছিল কঠিনতর। কারণ, কিছু অজ্ঞাত কারণের জন্য, আকাশগঙ্গা ছায়াপথের অভ্যন্তরে কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশের "আগুনের আংটিটি" যথা ক্ষুদ্র এবং ম্রিয়মাণ থাকায়।

-পল্লব ঘোষ
বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক, বিবিসি নিউজ

Sunday, April 14, 2019

আম্বেদকর স্মরণে

আজ ১৪'ই -এপ্রিল- ভারতরত্ন বাবাসাহেব আম্বেদকর এর ১২৮-তম জন্মদিন। আজ ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীতে যে মানুষটিকে নিয়ে সব থেকে বেশি গবেষণা বা চর্চা চলছে তা হলো বাবাসাহেব আম্বেদকর এবং তার দর্শন।ভারতবর্ষে জনসংখ্যা প্রায় ৯০%- শতাংশের উপর মানুষ দলিত-আদিবাসী এবং অনগ্রসর-এদের মধ্যে সংখ্যালঘুও পড়ে যাচ্ছে।এই ৯০% জনতা যারা এদেশের মূলনিবাসী এরা আজও সমস্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত: শিক্ষা -স্বাস্থ্য - খাদ্য -বস্ত্র -সম্মান সমস্ত অধিকার থেকে।

এদেশের সম্পত্তির ৭৩% চলে গেছে ১%-শতাংশ মানুষের হাতে। চাকরি- জমি- ব্যবসা সমস্ত কিছুর প্রায় ৯0%-ই মাত্র এই  ৮-১0% মানুষের হাতে। এবার প্রশ্ন হল এই ১%-শতাংশ বা ৮-১0%- শতাংশ মানুষ কারা?? হ্যাঁ যতক্ষণ না আমরা এদেরকে চিনতে পারব- ততক্ষণ আমরা আমাদের অধিকারের জন্য লড়াইটা  লড়তে পারবো না।  আমরা সেই শূদ্র পরিচয়  আজও বয়ে চলেছি -তারপর ইতিহাসের কালক্রমে বহু মানুষ এই মূলনিবাসী সমাজ থেকেই ইসলাম -ক্রিশ্চিয়ান শিখ- দলিত -আদিবাসী বিভিন্ন ভাগে ভাগ হয়ে যায়।

বাবাসাহেব আম্বেদকর আমাদের ভোটাধিকার দিয়ে গেছেন -যাতে আমরা নিজেরা রাজা হতে পারি- এই দেশের শাসক হতে পারি - কিন্তু আমরা নিজেদের অধিকার সম্বন্ধে সচেতন নই -আমরা আমাদের ভোটাধিকার সম্বন্ধে সচেতন নই -আমরা খুব সহজে বিক্রি হয়ে যাই -আমরা ২00 টাকায় এক বোতল মদ- সামান্য একটা পদের জন্য -সামান্য একটা চাকরির জন্য -আমাদের অধিকার গুলো বিক্রি করে দিই আমরা। আজ যেখানে দেশে-- গরু ও ধর্ম নিয়ে রাজনীতি চরমে ,নিরিহ মানুষ মরছে ফ‍্যাসীবাদের কবলে,কৃষকরা ন‍্যায‍্য পাওনা থেকে বঞ্চিত, আত্মহত্যা করার পূর্বে সুইসাইড নোট লিখছে,নারীরা হারাচ্ছে তাঁর স্বাধীনতা, বাক স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হচ্ছে। আমাদের এখন বুঝতে হবে বর্তমানে কতটুকু সংবিধান অনুযায়ী আমল করা হচ্ছে।

আর নয় চলুন

মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেই বাবাসাহেব আম্বেদকর-এর বিচারধারা, তাহলেই আগামী ভবিষ্যৎ -আমাদের সমাজের আগামী দিনের ছেলে মেয়েরা নিজেদেরকে চিনতে শিখবে। নিজেদের অধিকার সম্বন্ধে সচেতন হবে- লড়াই করতে শিখবে। তা না হলে আমাদের মতই এরা গোলামী করে ব্রাহ্মণের পা ধুয়ে জল খেয়ে সারা জীবন গোলামি করে কাটিয়ে  দেবে। তাই বাবাসাহেবের আম্বেদকরের জন্মদিনে আমাদের শপথ হোক -----

"গোলামী নয় আজাদি চাই আত্মসম্মানের লড়াইয়ে নিজেদেরকে উৎসর্গ করবো।"

জয় ভীম

'হে মোর চিত্ত,পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধীরে'

পরিস্থিতি যত উদ্ভট, সমাজের পরিবেশ যত প্রতিকূল, মূলত সময় এখন প্রশ্রয় দেয় অজ্ঞতায়। অন্তরস্থ ভাঙন তত তরান্বিত। সাধারণ ভাবে চতুর্...